Thursday, 4 June 2020

কিভাবে ইউটিউবে সফল হবেন ৩ মাসে। How to Success YouTube bangla.

কিভাবে ইউটিউবে সফল হবেন ৩ মাসে। How to Success YouTube bangla.

হ্যালো ইউটিউবারকেমন আছেন ? আশা করছি আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আজকে আমরা মূলত 3 মাসের একটি ইউটিউব প্লান নিয়ে হাজির হয়েছি এবং আমি আপনাদের বলতে যাচ্ছি যে, আপনারা কিভাবে ইউটিউবে সফলতা অর্জন করবেন। তার কিছু গোপন টেকনিক  যা আপনাকে কেউ আজ পর্যন্ত বলে নাই বা আপনি কোথাও এই কথাগুলো বা গোপন কৌশলগুলো জানতে পারেননি।
ইউটিউবে সফল হওয়ার উপায়
ইউটিউবে সফল হওয়ার উপায়।

পোষ্টটি বিশেষভাবে সাহায্যে করবে নতুনদের জন্য।
আজকের পোস্টটি আপনি যদি সম্পূর্ণ পড়েন তাহলে আপনাকে আমি 100% গ্যারান্টি দিতে পারি যে, আপনি অবশ্যই ইউটিউবে সফল হবেন।

আমরা এর আগের পোস্টে আপনাদের ইউটিউ কি ? কিভাবে শুরু করবো এর পরিপূর্ণ গাইড নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলাম। চাইলে পড়ে আসতে পারেন তাহলে এই পোস্টটা বুঝতে আরো সহজ হবে। তারি পরিপেক্ষিতে আজকের পোস্ট করা।
তো চলুন শুরু করি।

আমরা একেবারে শুরু থেকে তিন মাসের একটি প্লান নিয়ে মাঠে নামবো। তার জন্য আমাদের কি কি দরকার হবে বা কেমনে কি সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। এবং কারা কিভাবে প্লান করবে তাউ বলে দিবো।
সর্বপ্রথমে যেটা আপনাদের বলতে চাই সেটা হলো।যে, জিনিসগুলো বা যে, অভ্যাসগুলো আপনার মধ্যে অবশ্যই থাকতে হবে ইউটিউবে সফল হওয়া ক্ষেত্রে।

ইউটিউবিং শুরু করতে যা যা দরকার।

ইউটিউব শুরু করতে যা যা  দরকার।
ইউটিউব শুরু করতে যা যা  দরকার

নাম্বার 1: একটি ভালো ডিভাইস।  হয়তো আপনি একটু অবাক হলেন যে, ডিভাইস আবার কি ? ডিভাইস হচ্ছে আপনি যেটা দিয়ে ইউটিউবে কাজ করবেন। সেটা হতে পারে আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার।

এবার আপনার প্রশ্ন মোবাইল দিয়ে কি ইউটিউব করা সম্ভব ?
হ্যা অবশ্যই সম্ভব কারণ বর্তমান একটি কম্পিউটারে যা যা করা যায় একটি মোবাইল ফোনে এই চাইতে বেশি কিছু করা যায় বললেই চলে।তাই বলছি একটি ভালো স্মার্টফোন হলেই হবে। কিন্তু আমার রিকোমেন্ড থাকবে যদি পারেন একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কিনে নিতে পারেন। তাহলেই আপনার জন্য বেস্ট হবে। কিন্তু যাদের সামর্থ নাই বা চিন্তা করছেন ইউটিউব থেকে ইনকাম করেই তারপরে সবকিছু করবো। তাহলেই কোন সমস্যা নেই।

নাম্বার 2: ইন্টারনেট সংযোগ
 অবশ্যই আপনার ফোনে বা আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে হবে।তাছাড়া কিন্তু আপনি ইউটিউব তো দূরের কথা আপনি কিছুই করতে পারবেন না। আমাদের সাজেশন হিসাবে মোবাইল ডাটা না যদি ওয়াইফাই  হয় তবে আপনার জন্য ভালো হবে। কিন্তু যদি মোবাইল ডাটা হয় সেটা একটু সময় বেশি লাগবে মানে মোবাইল দিয়ে আপনি যখন ভিডিও আপলোড দিবেন তখন কিন্তু সময় একটু বেশি লাগবে বাট আপনি মোবাইল ডাটা দিয়েউ কাজ করতে পারবেন। তাই বলবো যদি সম্ভব হয় তবে ওয়াইফাই দিয়ে শুরু করবেন।

নাম্বার 3 ক্যামেরা:
ইউটিউব করার জন্য অবশ্যই একটি ক্যামেরা দরকার হবে।আপনি যদি চান আপনার মোবাইলের ক্যামেরা দিয়েউ কাজ চালাতে পারেন যদি মোটামোটি ভালো হয় তবে।তাছাড়া আপনি যদি ফেস কেম ভিডিও মানে আপনার চেহারা না দেখিয়ে বা কোন ঘটনা না তুলে মানে আমি বলতে চাচ্ছি যে, আপনি যদি স্কিন-রে  কর্ড করে ভিডিও বানান তবে ক্যামেরার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু আমরা বলবো আপনি ক্যামেরার সামনে থেকেই ইউটিউব করুন এতে আপনার পরিচিতি বৃদ্ধি হবে এবং আপনার নাম হবে।
আপনি যদি ক্যামেরা কিনতে চান তাহলে এই ক্যামেরা টা কিনতে পারেন।

 কম দামে খুব ভালো একটি ক্যামেরা ইউটিউবের জন্য।

বেস্ট ইউটিউব ক্যামেরা
বেস্ট ইউটিউব ক্যামেরা

নাম্বার 4: একটি মাইক্রোফোন:
ইউটিউবে সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার অডিও লেভেলটাকে আরো বাড়াতে হবে বা ক্লিয়ার করতে হবে। মনে করুণ আপনি একটা ভিডিও দেখছেন সেই ভিডিওটাতে যদি অডিওটা একদম খারাপ হয় বা প্রচুর পরিমাণে নয়েজ থাকে তাহলে কি আপনি সেই ভিডিওটি দেখবেন ? অবশ্যই না। তাহলে আপনি কিভাবে মনে করেন আপনার অডিও খারাপ হলে সবাই আপনার ভিডিও দেখবে ? ভিডিও একটু বাজে হলেউ সবাই অডিওটা যদি ভালোভাবে শুনতে পারে তাহলেই ভিডিওটি দেকতে থাকবে না হলে নয়।তাই আপনি অবশ্যই একটি মাইক্রোফোন কিনে নিবেন।

আপনি কমদামে এই মাইক্রোফোনটি কিনতে পারেন।
কম্পিউটারের জন্য বেস্ট একটি মাইক্রোফোন। 
বেস্ট ইউটিউব মাইক্রোফোন
বেস্ট ইউটিউব মাইক্রোফোন

মোবাইল ফোনের জন্য বেস্ট একটি মাইক্রোফোন। মাত্র 1200 টাকা
বেস্ট ইউটিউব মাইকোফোন মোবাইল
বেস্ট ইউটিউব মাইকোফোন মোবাইল

নাম্বার 5: ক্যামেরা স্ট্যান্ড:
আপনার ভিডিওটাকে নড়াচড়া না করা বা একদম স্থির একটা ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে একমাত্র ক্যামেরা স্যান্ড ই সাহায্যে করতে পারে।
কমদামে একটি ভালো ক্যামেরা স্ট্যান্ড কিনুন।
বেস্ট ক্যামেরা টাইপট
বেস্ট ক্যামেরা টাইপট

নাম্বার 6: সময় ও ক্রিয়েটিভিটি:
অবশ্যই আপনার হাতে যথেষ্ট সময় ও আপনাকে সৃজনসীল হতে হবে সবার থেকে আলাদা কিছু করা বা সবাইকে উপহার দেওয়া জন্য।

একটু পরে আপনাদের 3 মাসের পরিকল্পনা শেয়ার করবো।

ইউটিউবে সফল হতে হলে কি দরকার প্রথমে ?

সর্বপ্রথম আপনাকে একটি টপিব বা বিষয় বাছাই করতে হবে।যে, আপনি শুধু মাত্র এই বিষয়টির উপরেই ভিডিও বানাবেন।
কিভাবে বিষয় নির্বাচন করবেন ?
আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, আমি আসলে বুঝতে পারছি না যে, আমি কোন বিসয় নিয়ে কাজ শুরু করবো। এবার আপনিই তাহলে বলে দেন আমি কোন বিষয়টি বাছাই করবো।তো এর জন্য আপনার পেশানটাকে আগে ফলো করতে হবে। মানে এমন একটি বিষয় বা কাজ যেটা আপনাকে করতে দিলে আপনি সারাজীবন সেই কাজটি করলেউ আপনার বিরক্ত লাগবে না বা আপনি সেই কাজটি করে ভিতর থেকে শান্তি পাবেন। সেই ধরনের টপিক বাছাই করুন।

তাউ যদি আপনি আপনার টপিক বাছাই করতে না পারেন তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব এ চলে যান তারপরে আপনার দেখার শেষ ভিডিওগুলো কোন টপিক বা ক্যাটাগড়ির সেখান থেকে আপনি একটি ক্যাটাগড়ি বা টপিক বাছাই করে কাজ শুরু করতে পারেন । কেন বললাম এই কথা কারণ আপনি যে, ধরনের ভিডিও দেখেনে  আপনার তো সেই বিষয়ের উপরেই ইন্টারেস্ট আছে।

ইউটিউব চ্যানেল নাম কিভাবে দিবেন ?

আপনার চ্যানেলে নাম যাতে সবাই মনে রাখতে পারে এমন নাম দিতে হবে। আবার সবার থেকে আলাদাউ হতে হবে। আমরা বলছি মাত্র দুইট ওয়ার্ডের মধ্যে আপনার চ্যানেলের নামটি রাখবেন। যাতে সবার মনে রাখতে সহজ হয়। যেমন: Info Tv এভাবে নাম ঠিক করবেন। 
ইউটিউব চ্যানের নাম হুবহু কোন চ্যানেলে নামের সাথে মিল রেখে রাখা যাবে না তার কারণ সেই চ্যানেল অলরেডি অনেক বড় তাই যদি আপনিও সেই নাম দেন তাহলে সেই নামে যখন কেউ সার্চ করবে সবার প্রথমে সেই ব্যক্তির চ্যানেলটাই আসবে আপনার টা নয়।
ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার আগে।
আপনি অবশ্যই ইউটিউবের জন্য ভিডিও তৈরি করার আগে লিখে নিবেন যে, আপনি ভিডিওতে কি বলতে চান সেটা হতে পারে খাতায় অথবা মোবাইল বা কম্পিউটারের নোট প্যাডে। তাহলে আপনার বলা কোন কথা ভূল হলেউ আবার বলতে পারবেন এতে করে হুম হা আ এসব শব্দ থাকবে না আপনার তৈরি করা ভিডিওতে এতে আপনার ভিডিও লাগবে একদম প্রফেশনাল।
এবার ভিডিও ইডিটিং করার পালা।
ভিডিও এডিটিং করার জন্য এই পোস্টটি পড়ে নিন। বিস্তারিত বলা আছে।
হয়ে গেল ইউটিউব শুরু করে একটি ভিডিও বানানো পর্যন্ত।

এবার কিভাবে ভিডিও ভাইরাল করবেন সেই করার জন্য আমাদের ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করা নিয়ে একটি পোস্ট আছে এখানেক্লিক করে পড়ে নিন।

3 মাসে ইউটিউবে সফল হওয়ার উপায় ?

আপনি অবশ্যই প্রথমে আগে পরিক্ল্পনা করে নিবেন যে, আপনি কোন বিষয়ে ভিডিও বানাবেন সেই বিষয়টাতে মানুষ কতটা ইন্টারেস্ট। মনে রাখবেন এমন কোন বিষয় নাই যেই বিষয়টির প্রতি মানুষ ইন্টাররেস্ট নেই।

আপনি প্রথমে 90 দিনের একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন।একদম ‍সিম্পর একটি প্লান। আমরা সবাই জানি 1 মাস = 30 দিন তাহলে আমাদের প্রান 3 মাস = আমরা পাই 90 দিন। তাহলে আমরা যদি দিনে একটা করে ভডিও আপলোড করি তাহলে আমাদের চ্যানেলে কিন্তু 90 টা ভিডিও আপলোড হয়ে যাবে।এর বেশি মানে দিনে 2 টা 3 টা করে ভিডিও দিলে তো আরো ভালো।

আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি আপনি যদি আমাদের ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল সেই পোস্টটি পড়ে সেই অনুযায়ি আপনার ভিডিও এসইও করতে পারেন তাহলে সেই 90 টি ভিডিও আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিবে।

অনেকেই বলে যে, ইউটিউবে নাকি ভাগ্যের জরে সফল হওয়া যায় এটা সম্পুর্ণ ভূল এবং মিথ্যা কথা আপনি যদি সত উদ্দেশ্য নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেন তাহলেই সফল হওয়া সম্ভব। আপনি লক্ষ করে দেখতে পারেন কিছু মানুষ 150 টা ভিডিও আপলোড করে সাবস্ক্রাই পায় 10 হাজার আবার কিছু মানুষ মাত্র 50 টি ভিডিও আপলোড করে 1 মিলিয়ন সাবস্ক্রাইল অর্জন করে এর একটাই মাত্র কারণ তাদের কন্টেন্ট যার কন্টেন ভালো এবং কোয়ালিটি সম্পূর্ণ সে অল্প দিয়েই বেশি পায়। আশা করছি বুঝতে পারছেন। আপনি আমাকে একটা চ্যানেল এর নাম বলুন যেখানে 100+ ভিডিও কোয়ালিটি সম্পূর্ণ কিন্তু সে চ্যানেলে সাবক্রাইব নাই ? এতেই বোঝা যায় যে, রেগুলার ভিডিও আপলোড করলে একদিন আপনার চ্যানেল অবশ্যই উপরে উঠবে।

এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাজ শুরু করে দিন।

  • টপিক বাছাই করা
  • ভিডিওগুলোর স্কিপ্ট লেখা
  • কি কি ভিডিও বানাবেন লিস্ট করা
  • কখন কখন ভিডিও আপলোড করবেন
  • নির্দিস্ট এক সময় ভিডিও আপলোড করুন।
  • কমেন্টের দ্রুত রিপ্রাইল দেওয়া।   




এভাবে 90 দিনের একটিম প্রান তৈরি করে কাজে নেমে পড়েন তাহলেই ইংশো আল্লাহ আপনি 3 মাস পর একটি পজিশনে দাঁড়াতে পারবেন।
তো এই ছিলো আমাদের আজকের পোস্ট কিভাবে ইউটিউবে সফল হবেন 3 মাসে। How to Success YouTube bangla. তো কেমন লাগলো পোস্টটি অবশ্যই কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করে দিবেন আপনার বন্ধুর সাথে। আর এটা আমাদের অবশ্যই জানানের যে, পরবর্তীতে কোন বিষয়ে পোস্ট করলে আপনার উপকার হবে ? তো সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবের আর আমাদের টেক শামিম বিডির সাথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।  

Advertiser